রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আশপাশে আজ বুধবার সকালে পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত। সকাল ১০টার দিকে দেখা গেছে, স্কুলের প্রধান ফটক বন্ধ রয়েছে। কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে কিছু কর্মীকে ফটকের ভেতরে যেতে দেখা গেছে। উত্তরার দিয়াবাড়ি মোড় ও আশপাশের এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
স্কুলের প্রধান ফটকের সামনে উৎসুক জনতার কিছুটা ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে মোবাইল ফোনে ছবি তুলছেন, কেউ কেউ ভিডিও করছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছেন।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রধান ফটক বন্ধ
গত মঙ্গলবার সকালে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ক্যাম্পাস পরিদর্শনে যান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও প্রেস উইংয়ের আরও তিন সদস্য। শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে তাঁরা প্রায় ৯ ঘণ্টা কলেজে অবরুদ্ধ থাকেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় তাঁরা সেখান থেকে বের হন।
যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা
সোমবার দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১৬৫। আহতদের মধ্যে অনেকে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই ঘটনা সারা দেশে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। সবাই নিহতদের প্রতি শোক ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।










